কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলসহ পুরো জেলায় এখন বোরো ধান কাটার উৎসব চলছে। দিগন্তজোড়া সোনালি ধানের সমারোহে কিষান-কিষানিদের কর্মব্যস্ততা তুঙ্গে থাকলেও তাদের মনে নেই স্বস্তি। ধানের বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম থাকায় লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা।
হাওরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, শ্রমিকরা ধান কেটে স্তূপ করছেন এবং আধুনিক মেশিনের সাহায্যে মাড়াইয়ের কাজ চলছে। তবে এবারের মৌসুমে কৃষি শ্রমিকের মজুরি এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ধান উৎপাদনে খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। বর্তমানে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে, মিল মালিকরা এখনো পুরোদমে ধান কেনা শুরু না করায় বাজারে ধানের দাম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই।
কৃষকরা জানিয়েছেন, সার, বীজ, কীটনাশক ও সেচ বাবদ যে পরিমাণ টাকা ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজারদরে ধান বিক্রি করলে সেই খরচ তোলাও কঠিন হয়ে পড়বে। বহিরাগত শ্রমিকের সংকট এবং হারভেস্টার মেশিনের স্বল্পতা কৃষকদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ অভিযান দ্রুত ও জোরদার করা না হলে কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























