ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রার পাশাপাশি ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ উদযাপনে এবার দেখা গেছে ভিন্নধর্মী ও নতুন ধারার নানা আয়োজন। রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি তরুণদের গড়া নতুন সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব চিন্তাধারা ও স্লোগানে নববর্ষকে বরণ করে নিয়েছে। এসব আয়োজনে আবহমান বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, কৃষক-শ্রমিকের জীবন এবং নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা রাজধানীবাসীর নজর কেড়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মতো নতুন সংগঠনগুলো তাদের আয়োজনে ভিনদেশি সংস্কৃতির প্রভাবমুক্ত থেকে খাঁটি বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরার ওপর জোর দিচ্ছে। আয়োজকদের মতে, পহেলা বৈশাখ মানে কেবল উৎসব নয়, বরং এটি বাঙালির শেকড় সন্ধানের একটি মাধ্যম। অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলে সংস্কৃতির নামে যে অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে মাটি ও মানুষের গল্পকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম এখন নববর্ষকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে।
রিপোর্টারের নাম 

























