ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও জোটেনি সড়ক-সেতু, শেরপুরে আন্দোলনে চরাঞ্চলবাসী

শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলের বাসিন্দারা টেকসই সড়ক ও সেতু নির্মাণের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন। স্বাধীনতার দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক পার হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া না লাগায় চরম ভোগান্তিতে দিন কাটছে চারটি গ্রামের অন্তত ৫০ হাজার মানুষের। যাতায়াতের সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে এসব গ্রামের সড়ক কয়েক মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, জেলা সদর থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে হলেও দশানী ও ব্রহ্মপুত্র নদের কারণে গ্রামগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। শুষ্ক মৌসুমে ভ্যান বা ঘোড়ার গাড়ি এবং বর্ষায় নৌকাই একমাত্র ভরসা। এলাকায় প্রচুর সবজি উৎপাদন হলেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এছাড়া সেতুর অভাবে শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছে। এসব দাবিতে সম্প্রতি এলাকাবাসী দশানী নদীর পাড়ে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

এ বিষয়ে এলজিইডি শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চরাঞ্চলবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায়ের জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবরোধ প্রত্যাহার করলেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা সম্ভব: ইরান

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও জোটেনি সড়ক-সেতু, শেরপুরে আন্দোলনে চরাঞ্চলবাসী

আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলের বাসিন্দারা টেকসই সড়ক ও সেতু নির্মাণের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন। স্বাধীনতার দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক পার হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া না লাগায় চরম ভোগান্তিতে দিন কাটছে চারটি গ্রামের অন্তত ৫০ হাজার মানুষের। যাতায়াতের সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে এসব গ্রামের সড়ক কয়েক মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, জেলা সদর থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে হলেও দশানী ও ব্রহ্মপুত্র নদের কারণে গ্রামগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। শুষ্ক মৌসুমে ভ্যান বা ঘোড়ার গাড়ি এবং বর্ষায় নৌকাই একমাত্র ভরসা। এলাকায় প্রচুর সবজি উৎপাদন হলেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এছাড়া সেতুর অভাবে শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছে। এসব দাবিতে সম্প্রতি এলাকাবাসী দশানী নদীর পাড়ে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

এ বিষয়ে এলজিইডি শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চরাঞ্চলবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায়ের জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।