ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

আইনি জটিলতায় মনিরা শারমিন: সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে আইনি জটিলতায় পড়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ করার তিন বছরের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। কিন্তু মনিরা শারমিন মাত্র চার মাস আগে কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছেন, যা তার প্রার্থিতা বাতিলের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয় এবং জোটের হাতে বিকল্প প্রার্থী না থাকে, তবে সেই আসনটি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বর্তমানে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিএনপি জোট এই আসনটি পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবে। ফলে জামায়াত জোটের আসন সংখ্যা ১৩ থেকে কমে ১২-তে নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তবে জামায়াত জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ আশা প্রকাশ করেছেন যে, শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন টিকে যাবে। অন্যদিকে মনিরা শারমিনের দাবি, ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে তার পদটি কোনো লাভজনক পদ ছিল না এবং সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য হতে পারে। এখন নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবরোধ প্রত্যাহার করলেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা সম্ভব: ইরান

আইনি জটিলতায় মনিরা শারমিন: সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা

আপডেট সময় : ০১:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে আইনি জটিলতায় পড়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ করার তিন বছরের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। কিন্তু মনিরা শারমিন মাত্র চার মাস আগে কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছেন, যা তার প্রার্থিতা বাতিলের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয় এবং জোটের হাতে বিকল্প প্রার্থী না থাকে, তবে সেই আসনটি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বর্তমানে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিএনপি জোট এই আসনটি পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবে। ফলে জামায়াত জোটের আসন সংখ্যা ১৩ থেকে কমে ১২-তে নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তবে জামায়াত জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ আশা প্রকাশ করেছেন যে, শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন টিকে যাবে। অন্যদিকে মনিরা শারমিনের দাবি, ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে তার পদটি কোনো লাভজনক পদ ছিল না এবং সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য হতে পারে। এখন নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।