ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হামের প্রকোপ বাড়ার নেপথ্যে ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’, প্রতিকারে জোর দিচ্ছে সরকার

বাংলাদেশে সম্প্রতি হাম বা মিজেলসের প্রাদুর্ভাব নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকার আওতার বাইরে থাকা বিপুল সংখ্যক শিশুর কারণেই এই ভাইরাসের বিস্তার দ্রুততর হচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রায় ৪৪ শতাংশ শিশু টিকার বাইরে ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের জন্য অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে দুই ডোজ টিকার আওতায় আনা জরুরি হলেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় এই ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাম কেবল সাধারণ জ্বর বা র‍্যাশ নয়, এটি নিউমোনিয়া, অন্ধত্ব এমনকি মস্তিষ্কের জটিল রোগ এসএসপিই-র মতো মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এক ডোজ টিকা ৯৩ শতাংশ সুরক্ষা দিলেও পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তার জন্য দুই ডোজ টিকা অপরিহার্য। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য অতিরিক্ত এক ডোজ টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভাব ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ: রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে ‘ভাগ্যের জুয়া’

দেশে হামের প্রকোপ বাড়ার নেপথ্যে ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’, প্রতিকারে জোর দিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০৩:১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে সম্প্রতি হাম বা মিজেলসের প্রাদুর্ভাব নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকার আওতার বাইরে থাকা বিপুল সংখ্যক শিশুর কারণেই এই ভাইরাসের বিস্তার দ্রুততর হচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রায় ৪৪ শতাংশ শিশু টিকার বাইরে ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের জন্য অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে দুই ডোজ টিকার আওতায় আনা জরুরি হলেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় এই ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাম কেবল সাধারণ জ্বর বা র‍্যাশ নয়, এটি নিউমোনিয়া, অন্ধত্ব এমনকি মস্তিষ্কের জটিল রোগ এসএসপিই-র মতো মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এক ডোজ টিকা ৯৩ শতাংশ সুরক্ষা দিলেও পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তার জন্য দুই ডোজ টিকা অপরিহার্য। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য অতিরিক্ত এক ডোজ টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।