ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ৮৩ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

মঙ্গলবার, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলা চাঁদপুরের কচুয়ায় ৮৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। উপজেলার ১২টি পরীক্ষাকেন্দ্রে বাংলা (আবশ্যিক) এবং দাখিলের কুরআন মাজিদ পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৪৬০ জন অংশ নেয়। অনুপস্থিত ৮৩ জনের মধ্যে এসএসসি ও দাখিল উভয় পর্যায়ের পরীক্ষার্থী রয়েছে।

পরীক্ষা চলাকালীন প্রতিটি কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্র সচিবদের তদারকিতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পরীক্ষা কক্ষগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান (রাসেল) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদা ও নাইমা আফরোজ বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এছাড়া, প্রশাসনের বিশেষ ভিজিলেন্স টিম দিনভর দায়িত্ব পালন করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ ছিল।

তবে, একজন স্থানীয় অভিভাবক মন্তব্য করেছেন যে, কিছু শিক্ষার্থী ভয়ে পরীক্ষা দিতে আসেনি। এই অনুপস্থিতির কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও নজরদারি প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মাদক ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ৮৩ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত

আপডেট সময় : ১০:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

মঙ্গলবার, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলা চাঁদপুরের কচুয়ায় ৮৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। উপজেলার ১২টি পরীক্ষাকেন্দ্রে বাংলা (আবশ্যিক) এবং দাখিলের কুরআন মাজিদ পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৪৬০ জন অংশ নেয়। অনুপস্থিত ৮৩ জনের মধ্যে এসএসসি ও দাখিল উভয় পর্যায়ের পরীক্ষার্থী রয়েছে।

পরীক্ষা চলাকালীন প্রতিটি কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্র সচিবদের তদারকিতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পরীক্ষা কক্ষগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান (রাসেল) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদা ও নাইমা আফরোজ বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এছাড়া, প্রশাসনের বিশেষ ভিজিলেন্স টিম দিনভর দায়িত্ব পালন করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ ছিল।

তবে, একজন স্থানীয় অভিভাবক মন্তব্য করেছেন যে, কিছু শিক্ষার্থী ভয়ে পরীক্ষা দিতে আসেনি। এই অনুপস্থিতির কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও নজরদারি প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করছেন।