গত দুই দশকে হৃদরোগ চিকিৎসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আগে চিকিৎসকদের মূল লক্ষ্য ছিল করোনারি ধমনির সংকীর্ণ অংশ বা স্টেনোসিস খুলে দেওয়া। তবে বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানে এখন কেবল ব্লকের দিকে নজর না দিয়ে বরং অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বা প্লাকজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা এখন একে ‘স্টেনোসিসকেন্দ্রিক’ থেকে ‘রোগকেন্দ্রিক’ চিকিৎসার উত্তরণ হিসেবে দেখছেন।
আধুনিক পদ্ধতিতে প্লাক স্থিতিশীল রাখতে উচ্চমাত্রার স্ট্যাটিন ও অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রার পরিবর্তনে জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইনট্রাভাসকুলার আলট্রাসাউন্ড (IVUS) ও অপটিক্যাল কোহেরেন্স টোমোগ্রাফি (OCT)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে ধমনির ভেতরের সূক্ষ্ম ঝুঁকি শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে সব ব্লকের জন্য স্টেন্ট বসানোর প্রয়োজন পড়ছে না এবং ওষুধের মাধ্যমেই অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























