ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পিরোজপুরে ডিজেল সংকট: সেচ অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে ইরি-বোরো খেত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় ডিজেল সংকটের কারণে ইরি-বোরো চাষাবাদ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বোরো মৌসুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেচযন্ত্র চালাতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো কৃষক। সময়মতো পানি দিতে না পারায় অনেক স্থানে ধানগাছ শুকিয়ে নুইয়ে পড়ছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত সেচ নিশ্চিত করা না গেলে ধানে চিটা দেখা দেবে এবং ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে এবার ধান চাষ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, জ্বালানির অভাবে অধিকাংশ সেচ পাম্প বন্ধ হয়ে আছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, বাজারে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না, আর কোথাও পাওয়া গেলেও তা চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করা কৃষকরা এখন ফসল হারানোর ভয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এই পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফলন পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই সংকট নিরসনে সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যে সৌদি আরবের প্রশংসা, ধর্মমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পিরোজপুরে ডিজেল সংকট: সেচ অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে ইরি-বোরো খেত

আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় ডিজেল সংকটের কারণে ইরি-বোরো চাষাবাদ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বোরো মৌসুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেচযন্ত্র চালাতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো কৃষক। সময়মতো পানি দিতে না পারায় অনেক স্থানে ধানগাছ শুকিয়ে নুইয়ে পড়ছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত সেচ নিশ্চিত করা না গেলে ধানে চিটা দেখা দেবে এবং ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে এবার ধান চাষ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, জ্বালানির অভাবে অধিকাংশ সেচ পাম্প বন্ধ হয়ে আছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, বাজারে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না, আর কোথাও পাওয়া গেলেও তা চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করা কৃষকরা এখন ফসল হারানোর ভয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এই পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফলন পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই সংকট নিরসনে সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা।