ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

শ্রমিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা সুনামগঞ্জের বোরো চাষি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাঠে ধান পুরোপুরি পেকে গেলেও পর্যাপ্ত শ্রমিকের অভাবে তা ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। একদিকে তীব্র শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। যেকোনো সময় ঝড়-বৃষ্টিতে কষ্টের ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ৪৫টি হাওরে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর আগে গত মার্চ ও এপ্রিলে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা কৃষকদের উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক বেশি। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ধান মাড়াই ও পরিবহনের অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক কৃষক লোকসানের মুখে পড়ে জমি বর্গা বা আদি পদ্ধতিতে ফসল ভাগাভাগির চুক্তিতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারি সহায়তা ও দ্রুত শ্রমিক সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় চাষিরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যে সৌদি আরবের প্রশংসা, ধর্মমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শ্রমিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা সুনামগঞ্জের বোরো চাষি

আপডেট সময় : ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাঠে ধান পুরোপুরি পেকে গেলেও পর্যাপ্ত শ্রমিকের অভাবে তা ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। একদিকে তীব্র শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। যেকোনো সময় ঝড়-বৃষ্টিতে কষ্টের ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ৪৫টি হাওরে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর আগে গত মার্চ ও এপ্রিলে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা কৃষকদের উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক বেশি। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ধান মাড়াই ও পরিবহনের অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক কৃষক লোকসানের মুখে পড়ে জমি বর্গা বা আদি পদ্ধতিতে ফসল ভাগাভাগির চুক্তিতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারি সহায়তা ও দ্রুত শ্রমিক সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় চাষিরা।