ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

উখিয়ায় সংরক্ষিত বন দখল: দায়সারা মামলায় থামছে না অবৈধ নির্মাণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ ওঠার পর বনবিভাগ একটি মামলা দায়ের করলেও তা নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, এই মামলাটি কেবল লোক দেখানো এবং দায়সারা। অভিযোগ রয়েছে, অসাধু বন কর্মকর্তাদের সাথে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দখলদাররা দিনের আলোয় নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুপালং পূর্বপাড়া এলাকার ‘স্বর্ণ পাহাড়’ নামক স্থানে বনভূমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগে মোহাম্মদ হারুন ও মোহাম্মদ মামুন নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, মামলার পরও নির্মাণকাজ থামেনি। বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, লোকবল সংকট এবং আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে তারা কার্যকর উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পারছেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া সংরক্ষিত এই বনভূমি রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীজির (সা.) অর্থনৈতিক জীবন: দারিদ্র্যের আড়ালে সচ্ছলতার চিত্র

উখিয়ায় সংরক্ষিত বন দখল: দায়সারা মামলায় থামছে না অবৈধ নির্মাণ

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ ওঠার পর বনবিভাগ একটি মামলা দায়ের করলেও তা নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, এই মামলাটি কেবল লোক দেখানো এবং দায়সারা। অভিযোগ রয়েছে, অসাধু বন কর্মকর্তাদের সাথে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দখলদাররা দিনের আলোয় নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুপালং পূর্বপাড়া এলাকার ‘স্বর্ণ পাহাড়’ নামক স্থানে বনভূমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগে মোহাম্মদ হারুন ও মোহাম্মদ মামুন নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, মামলার পরও নির্মাণকাজ থামেনি। বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, লোকবল সংকট এবং আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে তারা কার্যকর উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পারছেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া সংরক্ষিত এই বনভূমি রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।