ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

শ্রমিক সংকটে পাকা ধান কাটতে পারছেন না ধর্মপাশার কৃষকরা

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা পাকা বোরো ধান কাটতে পারছেন না। মাঠে ধান পেকে গেলেও শ্রমিক না পাওয়ায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলহানির ভয়ে চাষিরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৪৫টি হাওরে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এছাড়া, বৃষ্টির কারণে হাওরের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় হারভেস্টার দিয়েও ধান কাটার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে, যা শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়িয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, ধান কাটার দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে, অথচ বাজারে ধানের দাম মণ প্রতি মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এই অবস্থায় ধান কাটার খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কায় ‘আদি’ পদ্ধতিতে জমি ছেড়ে দিচ্ছেন, যেখানে শ্রমিকরা ফসলের অর্ধেক নিয়ে যান। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ট্রলি ভাড়াও বেড়ে যাওয়ায় হাওর থেকে ধান আনা-নেওয়াও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। কৃষকরা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যে সৌদি আরবের প্রশংসা, ধর্মমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শ্রমিক সংকটে পাকা ধান কাটতে পারছেন না ধর্মপাশার কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৪:১৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা পাকা বোরো ধান কাটতে পারছেন না। মাঠে ধান পেকে গেলেও শ্রমিক না পাওয়ায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলহানির ভয়ে চাষিরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৪৫টি হাওরে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এছাড়া, বৃষ্টির কারণে হাওরের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় হারভেস্টার দিয়েও ধান কাটার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে, যা শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়িয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, ধান কাটার দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে, অথচ বাজারে ধানের দাম মণ প্রতি মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এই অবস্থায় ধান কাটার খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কায় ‘আদি’ পদ্ধতিতে জমি ছেড়ে দিচ্ছেন, যেখানে শ্রমিকরা ফসলের অর্ধেক নিয়ে যান। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ট্রলি ভাড়াও বেড়ে যাওয়ায় হাওর থেকে ধান আনা-নেওয়াও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। কৃষকরা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।