ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বিএনপি-জামায়াত দূরত্ব বাড়ছে, রাজপথে গড়াচ্ছে দুই দলের বিরোধ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যকার ক্রমবর্ধমান দূরত্বে তা এখন হুমকির মুখে। সংবিধান সংস্কার, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন অধ্যাদেশের স্বীকৃতি নিয়ে দুই দলের মধ্যে নীতিগত ও কৌশলগত বিরোধ এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। সংসদের গণ্ডি পেরিয়ে এই বিভেদ এখন রাজপথেও গড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয়ে শুরুতে দুই দলের মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখা গিয়েছিল, তা এখন অবিশ্বাসে রূপ নিচ্ছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক মনোভাব ছিল, তা সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং পরবর্তী বিভিন্ন ইস্যুতে হোঁচট খাচ্ছে। এই শীতল সম্পর্ক দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য শুভকর নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে বিবাদ জনগণের প্রত্যাশাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে এখনই এই বিরোধের লাগাম টানা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যথায় বিপ্লব পরবর্তী গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

বিএনপি-জামায়াত দূরত্ব বাড়ছে, রাজপথে গড়াচ্ছে দুই দলের বিরোধ

আপডেট সময় : ০৮:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যকার ক্রমবর্ধমান দূরত্বে তা এখন হুমকির মুখে। সংবিধান সংস্কার, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন অধ্যাদেশের স্বীকৃতি নিয়ে দুই দলের মধ্যে নীতিগত ও কৌশলগত বিরোধ এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। সংসদের গণ্ডি পেরিয়ে এই বিভেদ এখন রাজপথেও গড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয়ে শুরুতে দুই দলের মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখা গিয়েছিল, তা এখন অবিশ্বাসে রূপ নিচ্ছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক মনোভাব ছিল, তা সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং পরবর্তী বিভিন্ন ইস্যুতে হোঁচট খাচ্ছে। এই শীতল সম্পর্ক দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য শুভকর নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে বিবাদ জনগণের প্রত্যাশাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে এখনই এই বিরোধের লাগাম টানা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যথায় বিপ্লব পরবর্তী গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।