ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক নেত্রী রুমিন ফারহানা বলেছেন, বর্তমান সংবিধানের অধীনেই তিনি প্রথম শপথ গ্রহণ করেছেন এবং একই সঙ্গে দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়া আইনগতভাবে সাংঘর্ষিক ও অযৌক্তিক। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জার্মানিভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের (বাংলা) একটি টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি তার এই অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।

রুমিন ফারহানা যুক্তি দেন যে, যদি সরকার নতুন সংবিধান রচনার ঘোষণা দিত এবং একটি বিপ্লবী সরকার হিসেবে কাজ করত, তবে দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার একটি আইনগত ভিত্তি তৈরি হতো। কিন্তু যেহেতু তা করা হয়নি, বরং বর্তমান সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নেওয়া হয়েছে এবং গত দেড় বছরের বৈধতা এই অনুচ্ছেদ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে, তাই দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। তিনি মনে করেন, দ্বিতীয়বার শপথ নিলে প্রথম শপথটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে এবং তা আইনগতভাবে প্রথম শপথকে বাতিল করে দেয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন। যারা এই অনুচ্ছেদের প্রয়োগ নিয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই পদত্যাগ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণের দুয়ার উন্মোচন: এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের ঐতিহাসিক চুক্তি

সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক নেত্রী রুমিন ফারহানা বলেছেন, বর্তমান সংবিধানের অধীনেই তিনি প্রথম শপথ গ্রহণ করেছেন এবং একই সঙ্গে দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়া আইনগতভাবে সাংঘর্ষিক ও অযৌক্তিক। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জার্মানিভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের (বাংলা) একটি টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি তার এই অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।

রুমিন ফারহানা যুক্তি দেন যে, যদি সরকার নতুন সংবিধান রচনার ঘোষণা দিত এবং একটি বিপ্লবী সরকার হিসেবে কাজ করত, তবে দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার একটি আইনগত ভিত্তি তৈরি হতো। কিন্তু যেহেতু তা করা হয়নি, বরং বর্তমান সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নেওয়া হয়েছে এবং গত দেড় বছরের বৈধতা এই অনুচ্ছেদ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে, তাই দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। তিনি মনে করেন, দ্বিতীয়বার শপথ নিলে প্রথম শপথটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে এবং তা আইনগতভাবে প্রথম শপথকে বাতিল করে দেয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন। যারা এই অনুচ্ছেদের প্রয়োগ নিয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই পদত্যাগ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।