ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সারের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিহত করার নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর, কৃষকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বাজারে সারের দাম বেশি নিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি প্রয়োজনে সিভিল পোশাকে থেকে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির প্রমাণ সংগ্রহ, বিক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিডিও ধারণ করারও নির্দেশনা দেন। শনিবার কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের গোমতি নদী ও জৈন্তার খাল পরিদর্শন শেষে হরিণধরা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও টেকসই ও মজবুত হবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রম সহ্য করা হবে না। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের জন্য যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করেই করা হয়েছে। তিনি জোর দেন যে, কৃষক কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করে, তাই তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও টেকসই ও মজবুত হবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রম সহ্য করা হবে না। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের জন্য যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করেই করা হয়েছে। তিনি জোর দেন যে, কৃষক কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করে, তাই তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

মন্ত্রী আরও জানান, সারা দেশে প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১১টি কৃষি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রান্তিক, দরিদ্র ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষকের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, কোনো দালালের মাধ্যমে নয়, কৃষকরা সরাসরি কৃষি অফিস থেকে হার্ভেস্টিং মেশিনসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন এবং প্রকৃত কৃষকরাই এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু হয়েছে এবং সরকার কৃষকের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং চাল রপ্তানির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এছাড়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় কৃষি ঋণ মওকুফ ও সারে ভর্তুকি প্রদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন যে, বিএনপি সরকার কৃষি খাতকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ, ৭ জন আটক

সারের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিহত করার নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর, কৃষকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বাজারে সারের দাম বেশি নিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি প্রয়োজনে সিভিল পোশাকে থেকে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির প্রমাণ সংগ্রহ, বিক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিডিও ধারণ করারও নির্দেশনা দেন। শনিবার কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের গোমতি নদী ও জৈন্তার খাল পরিদর্শন শেষে হরিণধরা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও টেকসই ও মজবুত হবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রম সহ্য করা হবে না। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের জন্য যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করেই করা হয়েছে। তিনি জোর দেন যে, কৃষক কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করে, তাই তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও টেকসই ও মজবুত হবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রম সহ্য করা হবে না। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের জন্য যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করেই করা হয়েছে। তিনি জোর দেন যে, কৃষক কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করে, তাই তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

মন্ত্রী আরও জানান, সারা দেশে প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১১টি কৃষি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রান্তিক, দরিদ্র ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষকের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, কোনো দালালের মাধ্যমে নয়, কৃষকরা সরাসরি কৃষি অফিস থেকে হার্ভেস্টিং মেশিনসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন এবং প্রকৃত কৃষকরাই এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু হয়েছে এবং সরকার কৃষকের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং চাল রপ্তানির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এছাড়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় কৃষি ঋণ মওকুফ ও সারে ভর্তুকি প্রদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন যে, বিএনপি সরকার কৃষি খাতকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রস্তুত।