ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: তদন্ত কমিটি গঠন ও ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অধ্যাপক সেহেলী জান্নাত সুলতানাকে সভাপতি করে গঠিত এই কমিটিতে অধ্যাপক শামীমুল মাসুদ আহমেদ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল হক রয়েছেন। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার রাতেই একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় আগামী সাত দিনের জন্য কলেজের সকল ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল আলম খান নিশ্চিত করেছেন যে, সংঘর্ষে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী মীর হামিদুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় নুরে জাওয়াদ রুতাপ গ্রুপের কর্মী নাফিউল ইসলাম (বিডিএস-১৪ ব্যাচ) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মতিউর রহমান বলেছেন, ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কাজ করছে। ঘটনার পর থেকে মমেক ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ, ৭ জন আটক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: তদন্ত কমিটি গঠন ও ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অধ্যাপক সেহেলী জান্নাত সুলতানাকে সভাপতি করে গঠিত এই কমিটিতে অধ্যাপক শামীমুল মাসুদ আহমেদ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল হক রয়েছেন। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার রাতেই একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় আগামী সাত দিনের জন্য কলেজের সকল ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল আলম খান নিশ্চিত করেছেন যে, সংঘর্ষে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী মীর হামিদুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় নুরে জাওয়াদ রুতাপ গ্রুপের কর্মী নাফিউল ইসলাম (বিডিএস-১৪ ব্যাচ) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মতিউর রহমান বলেছেন, ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কাজ করছে। ঘটনার পর থেকে মমেক ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।