মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মুখে মালয়েশিয়া সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের এক নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর আওতায় সরকারি দপ্তরগুলোতে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাসা থেকে কাজ করার নীতি কার্যকর করা হয়েছে। তবে, জনগণের সেবায় নিয়োজিত সরাসরি কাউন্টারভিত্তিক সেবাগুলো এই নীতির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে এবং সেগুলো যথারীতি চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
দেশজুড়ে অধিকাংশ ফেডারেল সরকারি দপ্তরে সীমিত সংখ্যক কর্মী সশরীরে উপস্থিত থাকলেও, গুরুত্বপূর্ণ সেবা যেমন অভিবাসন বিভাগ ও পুলিশের মতো পরিষেবা প্রদানকারী আরবান ট্রান্সফরমেশন সেন্টারগুলো স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ফেডারেল প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়া বর্তমানে অনেকটাই নীরব, কারণ মন্ত্রণালয়ের বেশিরভাগ কর্মকর্তা বাসা থেকেই তাদের দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করছেন। এছাড়া, সরকারি ভবনগুলোতে বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে আলো কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মোট লিফটের অর্ধেক চালু রাখা হয়েছে।
এই ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নীতি মূলত একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে। এটি কেবল কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর, পুত্রজায়া এবং বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানীতে কর্মরত ফেডারেল সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য, যারা অফিস থেকে ৮ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে বসবাস করেন। তবে, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের কর্মীদের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে না। যেসব সরকারি কর্মচারী এই সুবিধার আওতায় পড়বেন, তারা সপ্তাহে তিন দিন বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
রিপোর্টারের নাম 






















