বিসিএসসহ সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রচলিত মুখস্থনির্ভর পরীক্ষার পরিবর্তে প্রার্থীদের প্রকৃত মেধা ও দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ‘স্কিল-বেজড’ বা দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিসিএস পরীক্ষার বর্তমান সিলেবাস সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার পদ্ধতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জনের প্রস্তাব করবে। শুধু লিখিত পরীক্ষাই নয়, মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও প্রার্থীদের জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি এবং পেশাদারিত্ব যাচাইয়ে ‘যোগ্যতা-ভিত্তিক সাক্ষাৎকার’ পদ্ধতি প্রবর্তন করতে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস পরীক্ষার যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এর ফলে চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে হচ্ছে। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















