কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নের জানার ঘোনা এলাকার এক পরিত্যক্ত ডোবা থেকে এক নারীর মাথা ও দুই হাতের কবজিবিহীন লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নিজের স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে স্বামী সাইফুল ইসলাম তারেককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় এই পরিচয়হীন লাশটি উদ্ধার করা হয়েছিল।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় রাজধানী ঢাকা থেকে ঘাতক সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তাকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমি উদ্দিন বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রীর গলা ও হাতের কবজি কেটে পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে ঘাতক সাইফুল লাশটি ডোবায় ফেলে দেয়। হত্যাকাণ্ডের একদিন পর সে লাশের মাথা ও দুই হাতের কবজি কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল নতুন ব্রিজ থেকে বাঁকখালী নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক সাইফুল এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছে। সে স্বীকার করেছে যে, স্ত্রী শাহিদা আক্তার রিপা ওরফে মুন্নিকে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে জবাই করে হত্যা করে।
জেলা পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ঘুমের ওষুধ মেশানো রসমালাইয়ের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে স্ত্রী শাহিদা আক্তার রিপা ওরফে মুন্নির লাশের মাথা ও দুই হাতের কবজি উদ্ধারের জন্য বাঁকখালী নদীতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























