ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ওসমানীনগরে তাজপুর ডিগ্রি কলেজে নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা: হতাশায় ৪৬ আবেদনকারী

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাজপুর ডিগ্রি কলেজে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ফি গ্রহণ করা হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা বা পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পাঁচটি ভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি পদের জন্য ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয় এবং প্রায় ৪৬ জন প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী আবেদন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বোর্ড গঠন করলেও ২৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক নতুন পরিপত্রের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। ওই পরিপত্রে নিয়োগ পরীক্ষা ও সুপারিশের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের ওপর ন্যস্ত করা হয়, যা কলেজের আগের বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়।

আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো তথ্য বা আপডেট জানানো হয়নি। ফি দিয়েও তারা এখন প্রতারিত বোধ করছেন। এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খছরুজ্জামান জানান, মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি জেলা প্রশাসকের অধীনে চলে গেছে। আবেদনকারীদের ফি এবং পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জানালা খুললেই তামাকের বিষাক্ত শ্বাস, চকরিয়ায় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

ওসমানীনগরে তাজপুর ডিগ্রি কলেজে নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা: হতাশায় ৪৬ আবেদনকারী

আপডেট সময় : ০১:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাজপুর ডিগ্রি কলেজে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ফি গ্রহণ করা হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা বা পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পাঁচটি ভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি পদের জন্য ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয় এবং প্রায় ৪৬ জন প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী আবেদন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বোর্ড গঠন করলেও ২৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক নতুন পরিপত্রের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। ওই পরিপত্রে নিয়োগ পরীক্ষা ও সুপারিশের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের ওপর ন্যস্ত করা হয়, যা কলেজের আগের বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়।

আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো তথ্য বা আপডেট জানানো হয়নি। ফি দিয়েও তারা এখন প্রতারিত বোধ করছেন। এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খছরুজ্জামান জানান, মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি জেলা প্রশাসকের অধীনে চলে গেছে। আবেদনকারীদের ফি এবং পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।