ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

প্রতিবন্ধীদের সমাজের মূলধারায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

প্রতিবন্ধীদের কর্মক্ষম করে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, দক্ষতা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এই জনগোষ্ঠীকে যদি কর্মক্ষম করে তোলা যায়, তাহলে তারা দেশের জন্য জনসম্পদে পরিণত হবে।

বুধবার রাজধানীতে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এটি তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন অন্যতম। এছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এখানে কলেজ রয়েছে। পাশাপাশি শ্রবণপ্রতিবন্ধী, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং অটিজমসহ নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত শিশু-কিশোরদের জন্য পৃথক স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। তাদের আবাসনের জন্য নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজে কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে সহায়তা করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও সহযোগিতা করা হয়। এটি একটি সমন্বিত কমপ্লেক্স, যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যেন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না থেকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থার অংশ হতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশসেবার সুযোগ পেয়েছে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, সেবা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সরকারের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদের প্রচেষ্টা হচ্ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা, প্রয়োজনীয় জনবল তৈরি করা এবং শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরেও এ ধরনের কলেজ ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যে সৌদি আরবের প্রশংসা, ধর্মমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রতিবন্ধীদের সমাজের মূলধারায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

প্রতিবন্ধীদের কর্মক্ষম করে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, দক্ষতা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এই জনগোষ্ঠীকে যদি কর্মক্ষম করে তোলা যায়, তাহলে তারা দেশের জন্য জনসম্পদে পরিণত হবে।

বুধবার রাজধানীতে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এটি তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন অন্যতম। এছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এখানে কলেজ রয়েছে। পাশাপাশি শ্রবণপ্রতিবন্ধী, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং অটিজমসহ নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত শিশু-কিশোরদের জন্য পৃথক স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। তাদের আবাসনের জন্য নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজে কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে সহায়তা করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও সহযোগিতা করা হয়। এটি একটি সমন্বিত কমপ্লেক্স, যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যেন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না থেকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থার অংশ হতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশসেবার সুযোগ পেয়েছে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, সেবা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সরকারের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদের প্রচেষ্টা হচ্ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা, প্রয়োজনীয় জনবল তৈরি করা এবং শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরেও এ ধরনের কলেজ ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা।