ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে মন্দিরের উঠান থেকে কৃষকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এক কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলা পাড়া সিংগিমারী শ্মশানঘাট সংলগ্ন মন্দিরের উঠান থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় (৫৫) নামের ওই ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত প্রভাত ওই এলাকারই বাসিন্দা এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ঘর থেকে কলাপাতা কাটার উদ্দেশ্যে হাসুয়া হাতে বের হয়েছিলেন প্রভাত চন্দ্র রায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। পরে সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মন্দিরের পাশে তার রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন তারা। স্বজনদের দাবি, প্রভাত চন্দ্র রায় একজন শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন এবং কারও সাথে তার কোনো প্রকাশ্য বিরোধ ছিল না। তবে তিনি কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মরদেহের গলার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ: সংস্কৃতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়

নীলফামারীতে মন্দিরের উঠান থেকে কৃষকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এক কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলা পাড়া সিংগিমারী শ্মশানঘাট সংলগ্ন মন্দিরের উঠান থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় (৫৫) নামের ওই ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত প্রভাত ওই এলাকারই বাসিন্দা এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ঘর থেকে কলাপাতা কাটার উদ্দেশ্যে হাসুয়া হাতে বের হয়েছিলেন প্রভাত চন্দ্র রায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। পরে সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মন্দিরের পাশে তার রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন তারা। স্বজনদের দাবি, প্রভাত চন্দ্র রায় একজন শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন এবং কারও সাথে তার কোনো প্রকাশ্য বিরোধ ছিল না। তবে তিনি কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মরদেহের গলার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে।