২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান—সবকিছুর মূলে ছিল রাষ্ট্র মেরামতের এক গভীর আকাঙ্ক্ষা। তৎকালীন দুঃশাসনের বিরুদ্ধে স্কুলশিক্ষার্থীদের সেই ‘রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে’ লেখা প্ল্যাকার্ডগুলোই মূলত বর্তমান পরিবর্তনের বীজ বপন করেছিল। ব্যাংক জালিয়াতি, গুম-খুন এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের এই জাগরণ শেষ পর্যন্ত একটি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্র সংস্কারের নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করলেও বর্তমানে রাজনৈতিক শাসকশ্রেণির মধ্যে পুরোনো রূপে ফেরার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ সংস্কার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে আমূল সংস্কারের চেয়ে পূর্বের কাঠামোর দিকেই ঝোঁক বেশি দেখা যাচ্ছে। একইসঙ্গে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও লুটপাটের অর্থনীতি রোধে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো রাজনৈতিক ও কাঠামোগত বাস্তবতায় নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























