প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সব সরকারি কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হলেও কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এর ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। সরকারি বিধি অমান্য করে সপ্তাহের বেশির ভাগ দিনই নির্ধারিত সময়ে অফিসে পাওয়া যাচ্ছে না জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউল হককে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া নিয়মেই অফিস করছেন। অধিদপ্তরের প্রধান কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে অন্য কর্মকর্তারাও অনিয়মিত হয়ে উঠছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৪ নভেম্বর কুমিল্লায় যোগদান করেন মো. শফিউল হক। পাশের জেলায় বাড়ি হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেশির ভাগ সময় তিনি থাকেন। কুমিল্লায় মূল দায়িত্ব হলেও বিভিন্ন অজুহাতে নিজ এলাকায় সময় কাটান এই কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর রোববার (১২ এপ্রিল) নির্দিষ্ট সময়ে প্রকৌশলী মো. শফিউল হককে তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। অধিদপ্তরের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি অধিকাংশ সময়ই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাননি। এ নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
রোববার সকাল দশটায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক অলিউল্লাহকে মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি জানান, স্যার আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসেননি। উনি কুমিল্লায় অফিস করবেন। বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অফিস করেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার এস্টিমেটর অফিসার তারেক মোল্লা বলেন, স্যার দুই জায়গায় অফিস করেন। আজকে কোথায় করবেন আপনি স্যারের সাথে কথা বলেন। মো. শফিউল হক বলেন, আমি দুই জেলার দায়িত্বে আছি। আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিস করব।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফিরোজ আলম চৌধুরী বলেন, উনি তো দুই জেলার দায়িত্বে আছেন। আমি ওনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
রিপোর্টারের নাম 























