ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদে শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশ পাস: স্বতন্ত্র বিভাগের মর্যাদা পেল আবৃত্তি

দীর্ঘদিনের দাবির মুখে অবশেষে আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ পাস হয়েছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে একটি ডিও লেটার প্রদানের মাত্র একদিন পরই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত এল। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার খসড়া অনুমোদনের সময় আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে রাখেনি, যা নিয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসন্তোষ ছিল।

সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তার চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন যে, আবৃত্তি কেবল একটি শিল্প নয়, এটি আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দন। শিল্পকলা একাডেমির বিভাগ সংখ্যা ৬ থেকে বাড়িয়ে ৯ করা হলেও সেখানে আবৃত্তিকে বাদ দেওয়া দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ধারাকে অবমূল্যায়ন করার শামিল। অবশেষে শুক্রবার সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে বিলটি পাশের মাধ্যমে আবৃত্তিশিল্পীরা তাদের ন্যায্য স্বীকৃতি পেলেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের আবৃত্তি চর্চা ও প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

জাতীয় সংসদে শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশ পাস: স্বতন্ত্র বিভাগের মর্যাদা পেল আবৃত্তি

আপডেট সময় : ০১:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের দাবির মুখে অবশেষে আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ পাস হয়েছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে একটি ডিও লেটার প্রদানের মাত্র একদিন পরই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত এল। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার খসড়া অনুমোদনের সময় আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে রাখেনি, যা নিয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসন্তোষ ছিল।

সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তার চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন যে, আবৃত্তি কেবল একটি শিল্প নয়, এটি আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দন। শিল্পকলা একাডেমির বিভাগ সংখ্যা ৬ থেকে বাড়িয়ে ৯ করা হলেও সেখানে আবৃত্তিকে বাদ দেওয়া দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ধারাকে অবমূল্যায়ন করার শামিল। অবশেষে শুক্রবার সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে বিলটি পাশের মাধ্যমে আবৃত্তিশিল্পীরা তাদের ন্যায্য স্বীকৃতি পেলেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের আবৃত্তি চর্চা ও প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।