গাইবান্ধার একমাত্র ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান রংপুর চিনিকলটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে বন্ধ থাকায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে। আধুনিকায়নের নামে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মিলটির উৎপাদন বন্ধ করা হলেও দীর্ঘ সময়েও তা চালু করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা আখ পরিবহনের যানবাহন ও কারখানার মূল্যবান যন্ত্রপাতিতে মরিচা ধরে নষ্ট হচ্ছে।
চিনিকলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এই অঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার আখচাষি ও শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। এক সময় মহিমাগঞ্জ এলাকার অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র ছিল এই মিলটি। বর্তমানে মিল চত্বরের বিশাল এলাকা ঝোপঝাড়ে ছেয়ে গেছে। কৃষকরা জানান, লাভজনক ফসল হওয়ায় তারা আখের চাষ করতেন, কিন্তু মিল বন্ধ হওয়ায় তারা এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্রমিকদের দাবি, সরকারি এই সম্পদ রক্ষা করতে এবং এলাকার অর্থনীতি সচল করতে দ্রুত চিনিকলটি পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। মিলটি চালু হলে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে শত কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ।
রিপোর্টারের নাম 






















