সরকার কর্তৃক জনগুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস। দলটির নেতারা অভিযোগ করেছেন, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিচার বিভাগ সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিল করার মাধ্যমে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে পরিচালিত করা হচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক নির্বাহী বৈঠকে এসব কথা বলেন তারা।
বৈঠকে নেতারা ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে একটি ‘প্রতারণার দলিল’ হিসেবে অভিহিত করেন। তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে ভূলুণ্ঠিত করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংসদীয় সংশোধনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা মূলত জনরায়ের বিরোধীতা। গণভোটের মাধ্যমে অর্জিত ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে নির্বাচিত সংসদকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে খেলাফত মজলিসের নেতারা বলেন, স্বাস্থ্যখাতে চরম অরাজকতা চলছে এবং হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া হামের প্রাদুর্ভাব ও মশার উপদ্রব বৃদ্ধিতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ করার পরামর্শ দিয়ে তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিনদিন অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্তকে ‘অপরিণামদর্শী’ বলে আখ্যা দেন।
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানান দলটির আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সঞ্চালনায় সভায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























