ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, সীমান্ত উত্তেজনার আশঙ্কা

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ (কাউয়ার টুক) সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক খাসিয়ার গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে সীমান্তের ওপারে ভারতীয় অংশে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সালেহ আহমেদ জয়ধর কালাইরাগ (কারবালার টুক) গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে।

সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, নিহত সালেহ আহমেদ জয়ধর এবং তার সঙ্গে থাকা আরও দুজন বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একটি সুপারি বাগানে ঢোকে। এ সময় ভারতীয় খাসিয়ারা তাদের সুপারি চোর সন্দেহে ছড়রা বন্দুক দিয়ে গুলি চালায়। এতে সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরে তার সঙ্গীরা তাকে মৃত অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসে। বিজিবি আরও জানায়, নিহত ব্যক্তিরা ইতিপূর্বে চোরাচালানি মালামাল পরিবহনের সঙ্গেও জড়িত ছিল।

এর আগে গত ১ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় অংশে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নিখোঁজ হয়েছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সাদ্দাম কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর আর ফিরে আসেননি। সাদ্দামের এক বন্ধু দাবি করেছেন, সাদ্দামকে কোমর ও পায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তবে তার কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ভারতে এক বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। লাশ বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, সীমান্ত উত্তেজনার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৪:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ (কাউয়ার টুক) সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক খাসিয়ার গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে সীমান্তের ওপারে ভারতীয় অংশে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সালেহ আহমেদ জয়ধর কালাইরাগ (কারবালার টুক) গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে।

সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, নিহত সালেহ আহমেদ জয়ধর এবং তার সঙ্গে থাকা আরও দুজন বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একটি সুপারি বাগানে ঢোকে। এ সময় ভারতীয় খাসিয়ারা তাদের সুপারি চোর সন্দেহে ছড়রা বন্দুক দিয়ে গুলি চালায়। এতে সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরে তার সঙ্গীরা তাকে মৃত অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসে। বিজিবি আরও জানায়, নিহত ব্যক্তিরা ইতিপূর্বে চোরাচালানি মালামাল পরিবহনের সঙ্গেও জড়িত ছিল।

এর আগে গত ১ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় অংশে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নিখোঁজ হয়েছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সাদ্দাম কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর আর ফিরে আসেননি। সাদ্দামের এক বন্ধু দাবি করেছেন, সাদ্দামকে কোমর ও পায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তবে তার কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ভারতে এক বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। লাশ বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।