ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বিয়ের ভুয়া কাবিননামা দিয়ে ফেঁসে গেলেন কাজি, আদালত থেকে পাঠানো হলো কারাগারে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে বিয়ের ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আব্দুল মজিদ নামে এক নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজি) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী এই আদেশ দেন। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে হাড়োয়া এলাকার রমজান আলীর সঙ্গে মেরি আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে যৌতুক নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে মেরি আক্তার আদালতে মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ পৃথক দুটি কাবিননামা দাখিল করলে আদালতের সন্দেহ হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, কাজি আব্দুল মজিদ একই বিয়ের বিপরীতে ভিন্ন ভিন্ন তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা সরবরাহ করেছেন। জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে তাৎক্ষণিক হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কাজির বিরুদ্ধে এর আগেও অসংখ্য জাল কাবিননামা ও ভুয়া রেজিস্ট্রির অভিযোগ উঠেছে। অনেক সাধারণ মানুষ তার প্রতারণার শিকার হয়ে আইনি জটিলতায় পড়েছেন। আদালত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই ধরনের জালিয়াতি বিচার ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করে, তাই অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

বিয়ের ভুয়া কাবিননামা দিয়ে ফেঁসে গেলেন কাজি, আদালত থেকে পাঠানো হলো কারাগারে

আপডেট সময় : ১১:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে বিয়ের ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আব্দুল মজিদ নামে এক নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজি) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী এই আদেশ দেন। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে হাড়োয়া এলাকার রমজান আলীর সঙ্গে মেরি আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে যৌতুক নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে মেরি আক্তার আদালতে মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ পৃথক দুটি কাবিননামা দাখিল করলে আদালতের সন্দেহ হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, কাজি আব্দুল মজিদ একই বিয়ের বিপরীতে ভিন্ন ভিন্ন তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা সরবরাহ করেছেন। জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে তাৎক্ষণিক হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কাজির বিরুদ্ধে এর আগেও অসংখ্য জাল কাবিননামা ও ভুয়া রেজিস্ট্রির অভিযোগ উঠেছে। অনেক সাধারণ মানুষ তার প্রতারণার শিকার হয়ে আইনি জটিলতায় পড়েছেন। আদালত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই ধরনের জালিয়াতি বিচার ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করে, তাই অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।