ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

অযত্ন আর অবহেলায় ময়লার স্তূপে পরিণত চট্টগ্রামের ‘৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এবং বিপ্লবের স্মৃতি ধরে রাখতে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেট এলাকায় নির্মিত ‘৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এখন চরম অবহেলার শিকার। উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মাথায় এটি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্তম্ভটির চারপাশ এখন আগাছা, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক আর হোটেলের বর্জ্যে সয়লাব, যা দেখে বোঝার উপায় নেই এটি একটি জাতীয় বীরদের স্মারক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশের এলাকাটি বর্তমানে অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাকস্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলা এলাকাটি ধোঁয়া আর শব্দদূষণে আচ্ছন্ন থাকলেও রাতে এটি মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। স্মৃতিস্তম্ভের পবিত্রতা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় জুলাইযোদ্ধারা। তারা মনে করছেন, এ ধরনের অবহেলা জুলাই বিপ্লবের চেতনার প্রতি এক ধরনের অবজ্ঞারই বহিঃপ্রকাশ।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় স্তম্ভের চারপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। অনেকে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করেছে। ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের এই স্মারকটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে সরকার: ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সরকারি সভার নির্দেশ

অযত্ন আর অবহেলায় ময়লার স্তূপে পরিণত চট্টগ্রামের ‘৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’

আপডেট সময় : ১০:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এবং বিপ্লবের স্মৃতি ধরে রাখতে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেট এলাকায় নির্মিত ‘৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এখন চরম অবহেলার শিকার। উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মাথায় এটি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্তম্ভটির চারপাশ এখন আগাছা, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক আর হোটেলের বর্জ্যে সয়লাব, যা দেখে বোঝার উপায় নেই এটি একটি জাতীয় বীরদের স্মারক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশের এলাকাটি বর্তমানে অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাকস্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলা এলাকাটি ধোঁয়া আর শব্দদূষণে আচ্ছন্ন থাকলেও রাতে এটি মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। স্মৃতিস্তম্ভের পবিত্রতা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় জুলাইযোদ্ধারা। তারা মনে করছেন, এ ধরনের অবহেলা জুলাই বিপ্লবের চেতনার প্রতি এক ধরনের অবজ্ঞারই বহিঃপ্রকাশ।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় স্তম্ভের চারপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। অনেকে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করেছে। ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের এই স্মারকটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।