ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ পবিত্র হজ পালনে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ সৌদি আরবে গমন করেন। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে ২০২৫ সালে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হজ ব্যবস্থাপনায় যে ব্যাপক সংস্কার আনা হয়েছে, তা হজযাত্রীদের জন্য এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় হজ পালনকে নির্বিঘ্ন ও স্বচ্ছ করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।
বিগত বছরগুলোতে হজ এজেন্সিগুলোর নানা অনিয়ম, সেবার নিম্নমান এবং সমন্বয়হীনতার কারণে হজযাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হতো। এবার সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। অনিয়মে জড়িত এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে। বিশেষ করে প্রায় ৮৭ হাজার হজযাত্রীর নিবন্ধন ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম এবার অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবার চালু করা হয়েছে ‘লাব্বাইক’ নামক বিশেষ মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে হজযাত্রীরা নিবন্ধন থেকে শুরু করে ফ্লাইটের তথ্য, হজের সময়সূচি এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য হাতের মুঠোয় পাচ্ছেন। আধুনিক এই ডিজিটাল রূপান্তর হজযাত্রীদের বিড়ম্বনা অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। সরকারের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং কঠোর তদারকি ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 























