ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বিচার প্রক্রিয়ার বড় অগ্রগতি: ইসলামী আন্দোলন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়কে দেশের বিচার প্রক্রিয়ায় একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় দলটির পক্ষ থেকে এই রায়কে স্বাগত জানানো হয়।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, এই রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে মামলার ২৫ জন আসামির মধ্যে মাত্র দুজন গ্রেপ্তার থাকা এবং বাকি ২৩ জন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অবিলম্বে পলাতক আসামিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য যে, এই মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাওলানা আতাউর রহমান মনে করেন, ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রাথমিক ধাপ মাত্র। উচ্চ আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত রায় দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারকে আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা আরও অভিযোগ করেন যে, জুলাই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তারে এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের চেয়ে নির্দেশদাতাদের দায় বেশি থাকে। ভবিষ্যতে যেন কেউ সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালানোর সাহস না পায়, সেজন্য প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থানে সরকার: ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সরকারি সভার নির্দেশ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বিচার প্রক্রিয়ার বড় অগ্রগতি: ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় : ০২:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়কে দেশের বিচার প্রক্রিয়ায় একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় দলটির পক্ষ থেকে এই রায়কে স্বাগত জানানো হয়।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, এই রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে মামলার ২৫ জন আসামির মধ্যে মাত্র দুজন গ্রেপ্তার থাকা এবং বাকি ২৩ জন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অবিলম্বে পলাতক আসামিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য যে, এই মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাওলানা আতাউর রহমান মনে করেন, ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রাথমিক ধাপ মাত্র। উচ্চ আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত রায় দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারকে আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা আরও অভিযোগ করেন যে, জুলাই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তারে এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের চেয়ে নির্দেশদাতাদের দায় বেশি থাকে। ভবিষ্যতে যেন কেউ সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালানোর সাহস না পায়, সেজন্য প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।