বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। বগুড়া-৬ আসনে রেজাউল করিম বাদশা এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে নির্বাচনের দিন নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে ভোটগ্রহণ চলাকালে দুপুরের দিকে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রকাশ্যে সিল মারা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজয়ী প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি দাবি করেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনেই জামায়াত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।
এদিকে, নির্বাচনের দিন শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোট চলাকালে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে শ্রীবরদীর লংপাড়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ছয় যুবককে আটক করা হয়। এছাড়া ঝগড়ার চর উচ্চবিদ্যালয় থেকেও একই অভিযোগে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ইটের আঘাতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রিপোর্টারের নাম 























