ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

‘সরকার অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি, এটি সকলের জন্য অশনি সংকেত’: বদিউল আলম মজুমদার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

সু শাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকার অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি অশনি সংকেত। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মজুমদার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মী আইনি সুরক্ষার জন্য আদালতে গেলেও কোনো প্রতিকার পাননি। সরকার কি আবারও সেই একই ধরনের অনুগত বিচারক নিয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনেক সময় স্বৈরাচারী মনোভাব তৈরি করে, যা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের পথকে বাধাগ্রস্ত করে। ক্ষমতাসীনদের এমন আইন করা উচিত যা তারা ক্ষমতায় না থাকলেও তাদের সুরক্ষা দেবে। গণভোট ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকারী আইনগুলো বাতিল করা নাগরিক ও সরকার কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পহেলা বৈশাখে নিরাপত্তার চাদরে রাজধানী: ১৪ স্থানে ব্যারিকেড ও কঠোর বিধিনিষেধ

‘সরকার অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি, এটি সকলের জন্য অশনি সংকেত’: বদিউল আলম মজুমদার

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

সু শাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকার অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি অশনি সংকেত। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মজুমদার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মী আইনি সুরক্ষার জন্য আদালতে গেলেও কোনো প্রতিকার পাননি। সরকার কি আবারও সেই একই ধরনের অনুগত বিচারক নিয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনেক সময় স্বৈরাচারী মনোভাব তৈরি করে, যা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের পথকে বাধাগ্রস্ত করে। ক্ষমতাসীনদের এমন আইন করা উচিত যা তারা ক্ষমতায় না থাকলেও তাদের সুরক্ষা দেবে। গণভোট ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকারী আইনগুলো বাতিল করা নাগরিক ও সরকার কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।