রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এবং যানজট নিরসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। এই নীতির ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাজধানীর সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এবং গুলিস্তানের জিপিও লিংক রোড এলাকায় পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং অবৈধ বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০০টি অবৈধ বাস কাউন্টার সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনাগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ নগর ভবনে ডিএসসিসি, ডিএমপি এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সায়দাবাদ টার্মিনালের বাইরের সব অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং টার্মিনালের ভেতরে সুশৃঙ্খলভাবে কাউন্টার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আজকের অভিযান সেই সিদ্ধান্তের সফল বাস্তবায়ন।
অন্যদিকে, বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দক্ষিণ পাশে জিপিও লিংক রোডের উভয় পাশের রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ফুটপাত দখল করে থাকা অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করার ফলে পথচারী চলাচলের পথ পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে বৃস্পতিবার ডিএসসিসির পক্ষ থেকে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ডিএসসিসির আওতাধীন সকল শপিংমল ও মার্কেটের সামনের ফুটপাতে কোনো প্রকার মালামাল রাখা যাবে না। দখলদারদের নিজ উদ্যোগে অবিলম্বে সকল মালামাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স বাতিলসহ বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে ডিএসসিসির এই উচ্ছেদ ও তদারকি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















