ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

মানবিক ইউএনও: অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার ও নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ালেন আসমা জাহান

নরসিংদীতে এক অসহায় ও পরিচয়হীন বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা জাহান সরকার। রাস্তার পাশে ঝুপড়ি ঘরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা ওই বৃদ্ধার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় তাঁর সুচিকিৎসার সব দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

উদ্ধার হওয়ার পর ওই বৃদ্ধা পোলাও এবং গরুর মাংস খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে ইউএনও আসমা জাহান সরকার নিজের বাসায় নিজ হাতে খাবার রান্না করে হাসপাতালে নিয়ে যান। শুধু খাবারই নয়, বৃদ্ধার জন্য ফলমূল, নতুন কাপড় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও সাথে নিয়ে যান তিনি। স্বজনহীন এই নারীর দেখভালের জন্য তিনি দুইজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও দায়িত্ব দিয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় হাসপাতালে তাঁর পাশে থেকে মানসিক সাহস জুগিয়েছেন।

ইউএনও জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি দেখে তাঁর বিবেক নাড়া দিয়েছিল। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমন একটি মানবিক কাজ করতে পেরে তিনি আত্মিক প্রশান্তি অনুভব করছেন। বর্তমানে বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে এবং পিবিআই-এর মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্তের জন্য আঙুলের ছাপ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: বিশ্বকাপে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাইতি ও স্কটল্যান্ড

মানবিক ইউএনও: অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার ও নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ালেন আসমা জাহান

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

নরসিংদীতে এক অসহায় ও পরিচয়হীন বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা জাহান সরকার। রাস্তার পাশে ঝুপড়ি ঘরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা ওই বৃদ্ধার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় তাঁর সুচিকিৎসার সব দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

উদ্ধার হওয়ার পর ওই বৃদ্ধা পোলাও এবং গরুর মাংস খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে ইউএনও আসমা জাহান সরকার নিজের বাসায় নিজ হাতে খাবার রান্না করে হাসপাতালে নিয়ে যান। শুধু খাবারই নয়, বৃদ্ধার জন্য ফলমূল, নতুন কাপড় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও সাথে নিয়ে যান তিনি। স্বজনহীন এই নারীর দেখভালের জন্য তিনি দুইজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও দায়িত্ব দিয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় হাসপাতালে তাঁর পাশে থেকে মানসিক সাহস জুগিয়েছেন।

ইউএনও জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি দেখে তাঁর বিবেক নাড়া দিয়েছিল। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমন একটি মানবিক কাজ করতে পেরে তিনি আত্মিক প্রশান্তি অনুভব করছেন। বর্তমানে বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে এবং পিবিআই-এর মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্তের জন্য আঙুলের ছাপ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।