রাজধানীর বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডাক গ্রহণ ও বিতরণ শাখায় এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন বিমানবন্দর থানা যুবদলের কর্মী রাসেল সরকার। অভিযোগপত্রে শান্তকে উত্তরার ‘ত্রাস’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিবরণে বলা হয়েছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে শান্ত উত্তরা ও বিমানবন্দর এলাকায় চরম বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় দোকানপাট, নির্মাণাধীন ভবন এবং পণ্যবাহী গাড়ি থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি দক্ষিণখান এলাকায় সরকারি মাটি বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। গত ৭ মার্চ উত্তরা পূর্ব থানায় এবং ৪ এপ্রিল দক্ষিণখান থানায় তার বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আবেদনকারী রাসেল সরকার উল্লেখ করেন, দলীয় একটি মহলের ছত্রছায়ায় শান্ত এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ালেও তাকে কেন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, এই ছাত্রদল নেতার খুঁটির জোর কোথায় এবং কারা তাকে এই আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে?
রিপোর্টারের নাম 
























