ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির যুক্তিকে ‘খোঁড়া’ বললেন ড. বদিউল আলম মজুমদার

সু শাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে জনমতের প্রতিফলন ঘটলেও তা বাস্তবায়নে নানা গড়িমসি করা হচ্ছে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, এই সনদটি গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অনুমোদন পেয়েছে, তাই এটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ সময় তিনি জুলাই সনদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত নিয়ে বিএনপির দেওয়া যুক্তিগুলোকে ‘খোঁড়া’ বলে অভিহিত করেন।

ড. বদিউল আলম উল্লেখ করেন, অনেকে যুক্তি দিচ্ছেন যে এই প্রক্রিয়া সংবিধানে নেই। এর বিপরীতে তিনি ১৯৯০ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হওয়া এবং পুনরায় স্বপদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টিও সংবিধানে ছিল না, বরং রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে হয়েছিল। তিনি মনে করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতই চূড়ান্ত হওয়া উচিত।

বৈঠকে তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, যেকোনো কমিশন বা কমিটিতে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক, যা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকে। তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তই কার্যকর হয়। জুলাই সনদের ক্ষেত্রেও জনগণের বড় অংশের সমর্থন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়কে বিতর্কিত না করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের ক্রীড়াঙ্গনে উত্তেজনার পারদ: পিএসএল ও ম্যানইউ-লিডসের মহারণ

জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির যুক্তিকে ‘খোঁড়া’ বললেন ড. বদিউল আলম মজুমদার

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

সু শাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে জনমতের প্রতিফলন ঘটলেও তা বাস্তবায়নে নানা গড়িমসি করা হচ্ছে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, এই সনদটি গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অনুমোদন পেয়েছে, তাই এটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ সময় তিনি জুলাই সনদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত নিয়ে বিএনপির দেওয়া যুক্তিগুলোকে ‘খোঁড়া’ বলে অভিহিত করেন।

ড. বদিউল আলম উল্লেখ করেন, অনেকে যুক্তি দিচ্ছেন যে এই প্রক্রিয়া সংবিধানে নেই। এর বিপরীতে তিনি ১৯৯০ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হওয়া এবং পুনরায় স্বপদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টিও সংবিধানে ছিল না, বরং রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে হয়েছিল। তিনি মনে করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতই চূড়ান্ত হওয়া উচিত।

বৈঠকে তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, যেকোনো কমিশন বা কমিটিতে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক, যা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকে। তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তই কার্যকর হয়। জুলাই সনদের ক্ষেত্রেও জনগণের বড় অংশের সমর্থন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়কে বিতর্কিত না করার আহ্বান জানান।