ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

২৮ বিচারককে শোকজ: বিচার বিভাগে ‘নগ্ন হস্তক্ষেপের’ প্রতিবাদ আইনজীবীদের

অধস্তন আদালতের ২৮ জন বিচারককে শোকজ করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী সংগঠন ‘ন্যাশনাল ল ইয়ার্স অ্যালায়েন্স’ (এনএলএ)। সংগঠনটি এই পদক্ষেপকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নির্বাহী বিভাগের নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিষয়ক অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদ জানানোয় এই শোকজ করা হয়েছে। তারা দাবি করেন, ২০১৭ সালের বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বিধিমালা ও সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে এই শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এটি মূলত বিচারকদের ভয় দেখানোর একটি অপকৌশল। অবিলম্বে এই শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার করার দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল হলে বিচার বিভাগ আবারও নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে, যা ঐতিহাসিক মাজদার হোসেন মামলার রায়ের সরাসরি পরিপন্থী। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার থাকবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় বন্দুক হামলা, গুলিতে ১ জনের মৃত্যু

২৮ বিচারককে শোকজ: বিচার বিভাগে ‘নগ্ন হস্তক্ষেপের’ প্রতিবাদ আইনজীবীদের

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

অধস্তন আদালতের ২৮ জন বিচারককে শোকজ করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী সংগঠন ‘ন্যাশনাল ল ইয়ার্স অ্যালায়েন্স’ (এনএলএ)। সংগঠনটি এই পদক্ষেপকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নির্বাহী বিভাগের নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিষয়ক অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদ জানানোয় এই শোকজ করা হয়েছে। তারা দাবি করেন, ২০১৭ সালের বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বিধিমালা ও সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে এই শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এটি মূলত বিচারকদের ভয় দেখানোর একটি অপকৌশল। অবিলম্বে এই শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার করার দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল হলে বিচার বিভাগ আবারও নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে, যা ঐতিহাসিক মাজদার হোসেন মামলার রায়ের সরাসরি পরিপন্থী। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার থাকবেন।