বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদ্য সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই অফিস ত্যাগ করেন। এডহক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়ার পর বিসিবি থেকে বেরিয়ে যাওয়া বুলবুলের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে, গতকাল রাতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে তিনি এডহক কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করেন এবং বিসিবির নির্বাচিত পরিচালনা পরিষদ ভেঙে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-র হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল এডহক কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে পাঁচটি যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিসিবির গঠনতন্ত্র মেনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে কোনো অনিয়মের সুযোগ ছিল না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এনএসসি-র এই ধরনের তদন্ত কমিটি করার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক রাজনৈতিকভাবে এই কাজটি করেছেন।
বুলবুল বলেন, বিসিবির গঠনতন্ত্রে এডহক কমিটির কোনো বিধান নেই, তাই এটি অবৈধ। তিনি এই ঘটনাকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটি কালো অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন এবং এতে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করেন। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন। বর্তমানে হাইকোর্টে একটি রুল আবেদন স্থগিত অবস্থায় রয়েছে এবং বিষয়টি সেখানে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি বিসিবি সভাপতি হিসেবে থাকবেন বলেও জানান তিনি।
রিপোর্টারের নাম 























