ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট চালু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

লায়ন কর্পোরেশন এবং কল্লোল লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে গঠিত লায়ন কল্লোল লিমিটেড বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (বিএসইজেড) একটি অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট চালু করেছে। বাংলাদেশ এসইজেড লিমিটেডের অধীনে সকল আইন ও বিধি অনুসরণ করে ৩.৩ হেক্টর জমির উপর নির্মিত এই প্লান্টে ডিশওয়াশিং লিকুইড, টুথব্রাশসহ বিভিন্ন হোম কেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদন করা হবে।

শিমিজু কর্পোরেশনের নকশা ও নির্মাণে গড়ে ওঠা এই কারখানায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধন উপলক্ষে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব গো ইচিতানি বলেন, এই নতুন প্লান্টটি বাংলাদেশের প্রতি তাদের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং উন্নত মানের নতুন পণ্য বাজারে সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে, যা মানুষের সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লায়ন কল্লোল লিমিটেডের যৌথ অংশীদার জনাব গোলাম মোস্তফা বলেন, এই প্লান্টটি কল্লোল গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, স্থানীয় দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে এবং লায়ন কর্পোরেশন জাপানের সঙ্গে তাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে পণ্যের মান আরও উন্নত হবে।

লায়ন কল্লোল লিমিটেডের ফ্যাক্টরি অপারেশনসের পরিচালক জনাব তাকাশি ওচিয়াই বলেন, কারখানাটি পরিকল্পনা ও নির্মাণের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াগত শৃঙ্খলা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক উৎপাদন মানদণ্ডকে দেশীয় পর্যায়ে প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদন ভিত্তি গড়ে তোলা হচ্ছে, যা দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রপ্তানির সম্ভাবনাও বাড়াবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে জনাব গো ইচিতানি ও জনাব গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রতীকী বৃক্ষরোপণ করা হয়। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভোক্তা বাজার এবং উৎপাদন খাতের অগ্রগতি যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, তখন এ ধরনের বিনিয়োগ উদ্যোগ দেশের শিল্পখাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিগ্রিধারী নয়, দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির কারখানাই হোক বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট চালু

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

লায়ন কর্পোরেশন এবং কল্লোল লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে গঠিত লায়ন কল্লোল লিমিটেড বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (বিএসইজেড) একটি অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট চালু করেছে। বাংলাদেশ এসইজেড লিমিটেডের অধীনে সকল আইন ও বিধি অনুসরণ করে ৩.৩ হেক্টর জমির উপর নির্মিত এই প্লান্টে ডিশওয়াশিং লিকুইড, টুথব্রাশসহ বিভিন্ন হোম কেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদন করা হবে।

শিমিজু কর্পোরেশনের নকশা ও নির্মাণে গড়ে ওঠা এই কারখানায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধন উপলক্ষে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব গো ইচিতানি বলেন, এই নতুন প্লান্টটি বাংলাদেশের প্রতি তাদের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং উন্নত মানের নতুন পণ্য বাজারে সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে, যা মানুষের সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লায়ন কল্লোল লিমিটেডের যৌথ অংশীদার জনাব গোলাম মোস্তফা বলেন, এই প্লান্টটি কল্লোল গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, স্থানীয় দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে এবং লায়ন কর্পোরেশন জাপানের সঙ্গে তাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে পণ্যের মান আরও উন্নত হবে।

লায়ন কল্লোল লিমিটেডের ফ্যাক্টরি অপারেশনসের পরিচালক জনাব তাকাশি ওচিয়াই বলেন, কারখানাটি পরিকল্পনা ও নির্মাণের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াগত শৃঙ্খলা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক উৎপাদন মানদণ্ডকে দেশীয় পর্যায়ে প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদন ভিত্তি গড়ে তোলা হচ্ছে, যা দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রপ্তানির সম্ভাবনাও বাড়াবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে জনাব গো ইচিতানি ও জনাব গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রতীকী বৃক্ষরোপণ করা হয়। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভোক্তা বাজার এবং উৎপাদন খাতের অগ্রগতি যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, তখন এ ধরনের বিনিয়োগ উদ্যোগ দেশের শিল্পখাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।