বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার এক মাস পূর্ণ হয়েছে। গত ১২ জুন দুবাই বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ক্যামেরায় ইন্টারপোলের রেড নোটিশ শনাক্ত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়। তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ২৪৪ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত নথি দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলা, দুদকের দুর্নীতি মামলা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে জোর তৎপরতা চললেও এখন পর্যন্ত দুবাই সরকারের কাছ থেকে কোনো চূড়ান্ত ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
উল্লেখ্য, গত ৪ মে দুদকের অনুসন্ধান চলাকালেই সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার, গুম এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইতিপূর্বে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। বর্তমানে তাকে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতা নিরসনে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো।
রিপোর্টারের নাম 






















