ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত: খাদ্যপণ্য আমদানি ও পাট রপ্তানির উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করতে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্য আদান-প্রদান এবং বাণিজ্যিক বাধা দূর করতে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি পাকিস্তান ট্রেডিং কর্পোরেশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকে পাকিস্তান থেকে চাল, মসুর ডাল, ছোলা, সার এবং ভোজ্যতেল আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকায় সেসব পণ্য রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপকে আরও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে সরকারি পর্যায়ে সরাসরি সমন্বয় বাড়বে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সহজতর হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বাণিজ্যিক উদ্যোগ কেবল প্রচলিত কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন নয়, বরং উভয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের পাশে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী, ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন

বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত: খাদ্যপণ্য আমদানি ও পাট রপ্তানির উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করতে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্য আদান-প্রদান এবং বাণিজ্যিক বাধা দূর করতে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি পাকিস্তান ট্রেডিং কর্পোরেশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকে পাকিস্তান থেকে চাল, মসুর ডাল, ছোলা, সার এবং ভোজ্যতেল আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকায় সেসব পণ্য রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপকে আরও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে সরকারি পর্যায়ে সরাসরি সমন্বয় বাড়বে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সহজতর হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বাণিজ্যিক উদ্যোগ কেবল প্রচলিত কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন নয়, বরং উভয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।