ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

শেয়ারবাজারে সুশাসন ফেরাতে কঠোর হচ্ছে সরকার, আসছে নতুন আইন

দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। সোমবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শেয়ারবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থা ফেরানোই বর্তমান প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বাজারকে গড়ে তুলতে আইনি কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের কাজ চলছে।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান, একটি শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গঠনের পাশাপাশি ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বাজারে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনতে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ), সুকুক, গ্রিন বন্ড এবং কমোডিটি ডেরিভেটিভের মতো আধুনিক মাধ্যমগুলো চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

বাজারের অনিয়ম ও কারসাজি রোধে তদন্ত এবং এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারকে পুরোপুরি আধুনিক ও ডিজিটাইজড করার প্রক্রিয়া চলমান। এর অংশ হিসেবে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ২০২৫’-এর খসড়া পর্যালোচনার কাজ চলছে। এই নতুন আইন কার্যকর হলে বাজারে শৃঙ্খলা ও করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈরুতে ভয়াবহ বিমান হামলা: ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে লেবাননের নালিশ

শেয়ারবাজারে সুশাসন ফেরাতে কঠোর হচ্ছে সরকার, আসছে নতুন আইন

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। সোমবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শেয়ারবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থা ফেরানোই বর্তমান প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বাজারকে গড়ে তুলতে আইনি কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের কাজ চলছে।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান, একটি শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গঠনের পাশাপাশি ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বাজারে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনতে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ), সুকুক, গ্রিন বন্ড এবং কমোডিটি ডেরিভেটিভের মতো আধুনিক মাধ্যমগুলো চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

বাজারের অনিয়ম ও কারসাজি রোধে তদন্ত এবং এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারকে পুরোপুরি আধুনিক ও ডিজিটাইজড করার প্রক্রিয়া চলমান। এর অংশ হিসেবে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ২০২৫’-এর খসড়া পর্যালোচনার কাজ চলছে। এই নতুন আইন কার্যকর হলে বাজারে শৃঙ্খলা ও করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।