বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ক্রীড়া দিবস। এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক সেতুবন্ধন তৈরি এবং বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করা। ক্রীড়াকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে একে জনস্বাস্থ্য রক্ষা, যুব উন্নয়ন এবং সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠার শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এ বছর।
জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির উদ্যোগে ২০৩০ সালের মধ্যে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো শারীরিক সক্রিয়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যয় কমিয়ে আনা। এছাড়া ইউনেস্কোর বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে খেলাধুলাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে সচেতন করার পাশাপাশি ‘সাদা কার্ড’ প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগও এই আয়োজনের একটি অন্যতম অংশ ছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























