নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উত্তীর্ণ প্রার্থী আব্দুল হালিমকে চাকরি না দিয়ে ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবির অভিযোগ এনেছেন তিনি। রোববার বিকেলে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তোলেন নিয়োগ বঞ্চিত আব্দুল হালিম।
অভিযোগকারী আব্দুল হালিম, যিনি কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সহিদুল ইসলামের ছেলে, জানান যে তিনি গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগের জন্য শারীরিক ফিটনেস এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, গত ২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে কিশোরগঞ্জ উপজেলার তৎকালীন নির্বাহী অফিসার প্রিতম সাহা কর্তৃক একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। এই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে তিনি আবেদন করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
এরপর, গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া তার স্বাক্ষরিত ফলাফলে আব্দুল হালিমকে মনোনীত করেন। তবে, নিয়োগপত্রের জন্য যোগাযোগ করলে ইউএনও অফিসের মুদ্রাক্ষরিক কাম সাঁটলিপিকার ফুয়াদ হোসেন এবং সিএ মুকুল হোসেন তার কাছে ৪ লক্ষ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং ইউএনও’র বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান যাদু জানান, আব্দুল হালিম নামে একজন প্রার্থী শারীরিক ফিটনেস ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছিলেন। এর বেশি তার জানা নেই যে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কিনা।
অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টারের নাম 




















