আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা আইনের ফাঁক দিয়ে পার পেয়ে যাবে এমন কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেও গুমের শিকার হয়েছিলেন, মৃত্যুর প্রহর গুনেছিলেন এবং পার্শ্ববর্তী দেশে ‘ডাম্পিং’ হওয়ার পর বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি ফিরে এসেছেন, তাই গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরাও আইনের আওতায় আসবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অষ্টম দিনে ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যারা গুম হয়েছেন, তারা কেবল আমার স্বজন বা প্রতিবেশী নন, তারা বাংলাদেশেরই মানুষ।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে অর্ডিন্যান্সে করা হয়েছে, তা বলবৎ থাকলে গুমের শিকার সদস্যদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একই সঙ্গে আইসিটি অ্যাক্ট ১৯৭৩-এর আওতায় ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’-র মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি, যেখানে বিচার ও তদন্তের বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, গুম আইনে আমরা ভিন্ন তদন্তের কথা বলছি। সেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কিন্তু গুম আইনে সাজা ১০ বছর পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইনটি সময় এলে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করবেন। তবে, এই আইনটি যদি এভাবেই রাখা হয়, তবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার মানুষেরা অতিরিক্ত হয়রানির শিকার হবেন। এই আইনের তদন্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার কারণেই তাঁরা বলেছেন যে, বিশেষ কমিটিতে আলোচনা হয়েছে এবং আমরা এই দুটি আইনকে আরও যুগোপযোগী, জনকল্যাণমুখী ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য এই সেশনের মাঝামাঝি বা পরবর্তীতে অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সুনির্দিষ্ট বিল আনব, যাতে অপরাধীরা কোনোভাবেই ছাড়া না পায়।
রিপোর্টারের নাম 






















