ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদা দাবির মামলায় খালাস পেলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক

চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বেকসুর খালাস পেয়েছেন। ঢাকার ১৪ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার রোববার (৫ এপ্রিল) এই রায় ঘোষণা করেন। তবে, তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা চলমান থাকায় এই রায়ের পরেও তার কারামুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. লিটন মিয়া।

রায় ঘোষণার জন্য মোজাম্মেল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায়ের পর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত ১ এপ্রিল, যেখানে বাদী খলিলুর রহমান মোজাম্মেল হকের খালাসে তার কোনো আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে মোজাম্মেল হক খলিলুর রহমানকে তার ধানমণ্ডির অফিসে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে নির্বাচনী খরচ বাবদ ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল এবং অন্যথায় গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনে শরীয়তপুরে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ করে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করারও অভিযোগ আনা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট খলিলুর রহমান আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) নিকেতন থেকে বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

চাঁদা দাবির মামলায় খালাস পেলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক

আপডেট সময় : ০৭:১২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বেকসুর খালাস পেয়েছেন। ঢাকার ১৪ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার রোববার (৫ এপ্রিল) এই রায় ঘোষণা করেন। তবে, তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা চলমান থাকায় এই রায়ের পরেও তার কারামুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. লিটন মিয়া।

রায় ঘোষণার জন্য মোজাম্মেল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায়ের পর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত ১ এপ্রিল, যেখানে বাদী খলিলুর রহমান মোজাম্মেল হকের খালাসে তার কোনো আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে মোজাম্মেল হক খলিলুর রহমানকে তার ধানমণ্ডির অফিসে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে নির্বাচনী খরচ বাবদ ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল এবং অন্যথায় গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনে শরীয়তপুরে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ করে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করারও অভিযোগ আনা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট খলিলুর রহমান আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) নিকেতন থেকে বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে।