ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

উজিরপুরে তীব্র ডিজেল সংকট: সেচ বন্ধ হওয়ায় বোরো উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় ডিজেলের চরম সংকটে সেচ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও কৃষি সংশ্লিষ্টরা। পানির অভাবে অনেক এলাকার ধানক্ষেত ফেটে চৌচির হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন ব্লকে ডিজেলচালিত সেচ পাম্পগুলো জ্বালানি সংকটে বন্ধ রয়েছে। সময়মতো জমিতে পানি দিতে না পারায় ধানের চারা শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, চাহিদার সময় ডিজেল না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে চড়া দামে খোলা বাজার থেকে তেল কিনছেন, যা উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট কাটাতে এবং অবৈধ মজুত রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় পেট্রোল পাম্প মালিকদের দাবি, তারা চাহিদার তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ তেল সরবরাহ পাচ্ছেন। সরকারি তেল ডিপো বন্ধ থাকা এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে খাদ্য নিরাপত্তায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে মতপার্থক্য

উজিরপুরে তীব্র ডিজেল সংকট: সেচ বন্ধ হওয়ায় বোরো উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা

আপডেট সময় : ১২:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় ডিজেলের চরম সংকটে সেচ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও কৃষি সংশ্লিষ্টরা। পানির অভাবে অনেক এলাকার ধানক্ষেত ফেটে চৌচির হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন ব্লকে ডিজেলচালিত সেচ পাম্পগুলো জ্বালানি সংকটে বন্ধ রয়েছে। সময়মতো জমিতে পানি দিতে না পারায় ধানের চারা শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, চাহিদার সময় ডিজেল না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে চড়া দামে খোলা বাজার থেকে তেল কিনছেন, যা উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট কাটাতে এবং অবৈধ মজুত রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় পেট্রোল পাম্প মালিকদের দাবি, তারা চাহিদার তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ তেল সরবরাহ পাচ্ছেন। সরকারি তেল ডিপো বন্ধ থাকা এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে খাদ্য নিরাপত্তায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।