ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ে সুদমুক্ত ঋণ স্থগিত, জ্বালানি ব্যয়ও হ্রাস

সরকারি ব্যয় সংকোচন এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে আপাতত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি কার্যক্রমে তাদের গাড়ি ব্যবহারের জন্য বরাদ্দকৃত জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম ব্যবহার করবেন।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পরিচালন ব্যয় কমানোর উপর জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, সরকারি অর্থায়নে সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণও আপাতত বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ, সভা-সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ, সেমিনার-কনফারেন্স ব্যয় ২০ শতাংশ এবং ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূর্বে, উপসচিব এবং তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনতে পারতেন, যা ‘প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী প্রদান করা হতো। এই নীতির অধীনে তারা ঋণ সুবিধার পাশাপাশি গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ভাতা এবং গাড়ির জন্য বার্ষিক ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধা পেতেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দম’ জয় করছে আমেরিকা, ‘প্রেশার কুকার’ যাচ্ছে লন্ডনে

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ে সুদমুক্ত ঋণ স্থগিত, জ্বালানি ব্যয়ও হ্রাস

আপডেট সময় : ০৯:২২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি ব্যয় সংকোচন এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে আপাতত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি কার্যক্রমে তাদের গাড়ি ব্যবহারের জন্য বরাদ্দকৃত জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম ব্যবহার করবেন।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পরিচালন ব্যয় কমানোর উপর জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, সরকারি অর্থায়নে সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণও আপাতত বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ, সভা-সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ, সেমিনার-কনফারেন্স ব্যয় ২০ শতাংশ এবং ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূর্বে, উপসচিব এবং তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনতে পারতেন, যা ‘প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী প্রদান করা হতো। এই নীতির অধীনে তারা ঋণ সুবিধার পাশাপাশি গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ভাতা এবং গাড়ির জন্য বার্ষিক ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধা পেতেন।