ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

হাজারীবাগের বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

রাজধানীর হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের একটি সাবলেট বাসা থেকে সীমান্ত (২৫) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বিষাক্ত দ্রব্য পান করে আত্মহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সীমান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার দিন রাত ৯টার পর সীমান্ত নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে তার রুমমেট বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানান। পরে বাড়ির মালিক দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন।

তার সহপাঠীদের ভাষ্যমতে, হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মুখ থেকে বিষাক্ত দ্রব্যের গন্ধ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ছারপোকা মারার ওষুধ পান করেছিলেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। লাশ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি হাজারীবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

হাজারীবাগের বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের একটি সাবলেট বাসা থেকে সীমান্ত (২৫) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বিষাক্ত দ্রব্য পান করে আত্মহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সীমান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার দিন রাত ৯টার পর সীমান্ত নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে তার রুমমেট বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানান। পরে বাড়ির মালিক দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন।

তার সহপাঠীদের ভাষ্যমতে, হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মুখ থেকে বিষাক্ত দ্রব্যের গন্ধ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ছারপোকা মারার ওষুধ পান করেছিলেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। লাশ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি হাজারীবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।